------------------
পর্ব- ১
Thursday, July 7, 2022 (12pm – 7pm)
------------------------------
মোটর গাড়ির ট্রান্সমিশন
সিস্টেম সাধারণত তিন ধরনের হয়ে থাকে।
1. Manual
Transmission
2. Automatic
Transmission
3.
Continuously Variable Transmission (CVT)
অটোমেটিক গাড়ি
চালনা শেখার চাইতে ম্যানুয়েল গাড়ি চালনা শেখা বেশি ঝামেলার। কিন্তু ম্যানুয়েল গাড়ি
ভালোভাবে শিখতে পারলে অটোমেটিক গাড়ি এমনিতেই পারা যাবে।
তাই আমরা ম্যানুয়েল
গাড়ি শিখতে যাচ্ছি, ইনশাআল্লাহ।
সতর্কীকরণ:
আমি ইউটিউব থেকে
গাড়ি চালনা শিখলেও বাস্তবে চালাইনি। সুতরাং আমার এই লেখাটিকে আপনি ব্যবহার না করলেও
কেউ বকবে না।
আর যদি নিতান্তই
ব্যবহার করতে চান তবে—
অবশ্যই লেখাটি
অত্যন্ত যত্নসহকারে পড়বেন এবং বোঝার চেষ্টা করবেন। কোনো জায়গায় না বুঝলে প্রয়োজনে আমাকে
প্রশ্ন করতে পারেন।
যখন বুঝবেন যে
আপনি এই লেখাটি যথাযথভাবে বুঝেছেন তখন একজন দক্ষ (বা ভালো জানে এমন) চালক/প্রশিক্ষককে
সাথে নিয়ে গাড়িতে উঠবেন। কোনো অবস্থাতেই একা একা গাড়ি চালানো শিখতে যাবেন না। আপনি
চালকের আসনে বসবেন। তারপর আমি এই লেখায় যেভাবে আপনাকে বুঝিয়েছি ঠিক সেভাবে আপনি আপনার
সাথের চালক/প্রশিক্ষককে বোঝাবেন। যদি আপনি (বা আমি) কোনো ভুল তথ্য দিয়ে থাকেন তবে ঐ
চালক/প্রশিক্ষক ধরিয়ে দেবেন। তবে অনুরোধ থাকবে আমার লেখার কোনো অংশের ভুল বিবরণ দেবেন
না কিংবা না বুঝে নিজে ভুল বলবেন না। আগে নিজে বুঝবেন তারপর ওনাকে বোঝাবেন। খুব ভালো
জানে এবং বোঝে এমন প্রশিক্ষক/চালককে সাথে নেবেন।
প্রশিক্ষককে মুখে
সব কিছু বলার পর চালানো শুরু করবেন। তাকে আগেই বলে রাখবেন যে আপনি কি কি করতে যাচ্ছেন।
তো, চলুন এবার
শুরু করা যাক।
আমাদের প্রোগ্রামিংয়ে
একটা কথা প্রচলিত আছে – যদি প্রোগ্রামিং শিখতে চাও তবে প্রোগ্রামিং লিখতে শুরু কর।
তাহলে আমরা বলতেই
পারি যদি ড্রাইভিং শিখতে চান তবে ড্রাইভিং সিটে বসে যান আর ড্রাইভ করা শুরু করুন।
আপনার কাছে যদি
গাড়ি না থাকে তবে মন খারাপ করার কিছু নেই। আমাদের ’গাড়ি’ নেই, ’কল্পনা’ তো আছে। আমরা
কল্পনায় পাখা মেলেই গাড়ি চালানো শিখতে পারবো, ইনশাআল্লাহ। আমি কমপিউটার চালনা শিখেছি
কল্পনায় পাখা মেলে। কমপিউটার হলে গাড়ি নয় কেন?
কথা না বাড়িয়ে
চলুন একদম সোজা গিয়ে চালকের আসনে বসে পড়ি। বসার পর পায়ের দিকে লক্ষ্য করুন তো। সেখানে
তিনটা প্যাডেল (paddle) বা পাদানি দেখতে পাচ্ছেন?
একদম ডান দিক
থেকে—
প্রথম পাদানিটি
হলো এক্সিলারেটর(Accelerator/Pickup/Gas paddle),
তারপর ব্রেইক
(Brake),
তারপর ক্লাচ
(Clutch)।
প্রথম দু’টি অর্থাৎ
এক্সিলারেটর এবং ব্রেইক নিয়ন্ত্রণ করবেন ডান পা দিয়ে।
শেষের(একদম বামের)টা
নিয়ন্ত্রণ করবেন বাম পা দিয়ে।
অর্থাৎ ডান পা
দিয়ে দু’টি, বাম পা দিয়ে একটি।
এবার পা দিয়ে
প্যাডেলগুলো টিপেটুপে মানে চেপেচুপে দেখুন। সময় নিয়ে কিছুক্ষণ ইচ্ছেমত চাপাচাপি করুন।
এটাও কিন্তু চর্চা।
সহজভাবে মনে রাখুন-
এক্সিলারেটর দিয়ে
গাড়ির গতি বাড়ানো হয়।
আর ব্রেইক দিয়ে
গতি কমানো হয়।
তার মানে ডান
পায়ের কাজ হলো গতি বাড়ানো এবং কমানো। সহজ হিসাব।
যখন গতি বাড়ানোর
প্রয়োজন হবে তখন (ডান পা দিয়ে) আস্তে আস্তে এক্সিলারেটর চাপবেন। যত চাপবেন তত গতি বাড়বে।
তদরূপ কমাতে চাইলে আস্তে আস্তে ব্রেইক চাপবেন। যত চাপবেন তত গতি কমতে থাকবে।
এবার আসা যা’ক
ক্লাচ প্রসঙ্গে।
(বাম পা দিয়ে)
যখন ক্লাচকে সম্পূর্ণ চেপে ধরা হয় তখন গাড়ি নিউট্রাল(Neutral) অবস্থায় থাকে। প্রশ্ন
হচ্ছে, নিউট্রাল অবস্থা কী?
নিউট্রাল অবস্থা
মানে গাড়ির ইঞ্জিন এবং চাকাগুলো (তথা মেকানিকল) পরষ্পর বিচ্ছ্ন্নি থাকা। মানে ক্লাচ
চাপলে গাড়ির ইঞ্জিন এবং চাকা পরস্পর বিচ্ছ্ন্নি (disconnected) হয়ে যায়। ক্লাচ ছেড়ে
দিলে তারা পুনরায় যুক্ত(connected) হয়ে যায়।
তাহলে গাড়িকে
আমরা দু’টি অংশে ভাগ করতে পারি।
১. ইঞ্জিন,
২. চাকা
আরো ভালোভাবে
বুঝতে চাইলে পরের অংশটুকু পড়তে পারেন। না পড়লেও ক্ষতি নেই। তবে গাড়িকে যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ
করতে চাইলে বিষয়গুলো জেনে রাখতে পারেন। তখন আর না বুঝে মুখস্ত করতে হবে না। এমনিতেই
আত্মস্থ হয়ে যাবে।
গ্রামেগঞ্জে ধান/গম
ভাঙগানোর কল দেখেছেন? সেখানে মূলত দু’টি অংশ থাকে। ধান/গমের কল এবং একটা মোটর। কলের
চাকার সাথে মোটরের চাকা একটা বেল্ট দ্বারা লাগানো থাকে। যখন মোটর চালু করা হয় তখন (বেল্টের
কারণে) মোটরের চাকার সাথে সাথে কলের চাকাও ঘুরতে থাকে। যদি বেল্ট খুলে মোটর চালানো
হয় তখন মোটর চললেও কল কিন্তু চলে না। কারণ বেল্ট না থাকাতে তারা পরস্পর বিচ্ছ্ন্নি।
মোটর যত জোরেই ঘুরুক কল ঘুরবে না।
এবার ধরে নিন,
মোটর হলো গাড়ির ইঞ্জিন, আর কল হলো গাড়ির চাকা। এই দু’টি সংযুক্ত অবস্থায় আছে। যখনই
ক্লাচ চাপা হয় তখনই তারা বিচ্ছ্নি হয়ে যায়। তখন ইঞ্জিন যত জোরেই ঘুরুক না কেন চাকা
কিন্তু ঘুরবে না। যখন ক্লাচ ছেড়ে দেয়া হয় তখন তারা আবার যুক্ত হয়ে যায়।
সহজে মনে রাখুন-
ক্লাচ চাপলে বিচ্ছিন্ন
(disconnected) (নিউট্রাল)
ক্লাচ ছেড়ে দিলে
যুক্ত (connected)
এবার হাতের বাম
পাশে একটা উঁচু ঢিবি-র মত দেখতে পাচ্ছেন? সেখানে একটা চেতনা থুক্কু লোহা-র দন্ড দন্ডায়মান।
দন্ডের মুন্ডে(মাথায়) একটা টুপি পরানো আছে যাতে হাত দিয়ে মুঠ করে ধরা যায়। এই দন্ড
দিয়ে গিয়ার (Gear) পরিবর্তন করা হয়। টুপির মাথায় 1 2 3 4 5 R চিহ্নিত একটা নকশা থাকতে
পারে। আপনার গাড়িতে যদি না থাকে তবে চিন্তার কিছু নেই। ম্যায় হো না?
1, 2, 3, 4,
5, এবং R মানে যথাক্রমে ফার্স্ট গিয়ার, সেকেন্ড গিয়ার, থার্ড গিয়ার, ফোর্থ গিয়ার, ফিফথ
গিয়ার এবং রিভার্স গিয়ার (Reverse Gear)। কোনো কোনো গাড়িতে নাকি ৬টা গিয়ার থাকে। সে
যাক’গে। :P
প্রথম পাঁচটা
গিয়ার হচ্ছে সামনে যাওয়ার জন্য। রিভার্স গিয়ার হলো পেছনে যাওয়ার জন্য।
খাতায় একটা বড়
হাতের ইংরেজি H লিখুন।খাড়া দু’টি সমান্তরাল রেখাকে মাঝখান দিয়ে একটি রেখা যুক্ত করেছে।
মাঝের রেখাটিকে সামনের দিকে সমপরিমাণ বাড়ান। এবং সেটার মাথায় একটি খাড়া(আগেরগুলোর মত)
দাগ দিন। তাহলে পাওয়া গেল তিনটি খাড়া সমান্তরাল দাগ এবং একটি শোয়ানো দাগ।
শোয়ানো দাগটিকে
গাড়ির ডান থেকে বাম (কিংবা বাম থেকে ডান)দিকে কল্পনা করুন। এই দাগে গিয়ার দন্ডটি থাকলে
সেটাকে বলা হয় নিউট্রাল।
আর খাড়া দাগগুলোর
উপরের মাথাগুলো গাড়ির সামনের দিক এবং নিচের মাথাগুলো পেছনের দিক ধরে নিন।
বাম দিক থেকে
প্রথম খাড়া দাগের
সামনের মাথায় 1
এবং পেছনের মাথায়
2।
দ্বিতীয় খাড়া
দাগের সামনের মাথায় 3
এবং পেছনের মাথায়
4।
তৃতীয় খাড়া দাগের
সামনের মাথায় 5
এবং পেছনের মাথায়
R।
এভাবে চিহ্নিত
করা আছে। না থাকলে আপনি কল্পনা করে নিন।
গিয়ার দন্ডটি
যখন একদম মাঝে অর্থাৎ 3 ও 4 এর মধ্য বিন্দুতে অবস্থান করবে তখন হলো নিউট্রাল। নিউট্রাল
মানে কি সেটাতো আমরা আগেই জেনেছি, তাই না?
বলাবহুল্য, দন্ডটি
1, 2, 3, 4, 5 অথবা R এ অবস্থান করলে যথাক্রমে ফার্স্ট গিয়ার, সেকেন্ড গিয়ার, থার্ড
গিয়ার, ফোর্থ গিয়ার, ফিফথ গিয়ার এবং রিভার্স গিয়ার (Reverse Gear) হয়।
প্রথমেই জেনে
রাখি, গিয়ার পরিবর্তন করার সময় অবশ্য অবশ্য
ক্লাচ চেপে ধরতে হবে।
কিভাবে বুঝবেন গিয়ার (তথা গিয়ার-দন্ড) টি
নিউট্রাল এ আছে কিনা?
আগেই জেনেছি,
গিয়ারদন্ডটি যখন একদম মাঝখানে তথা 3 ও 4 এর মাঝখানে থাকবে তখন সেটা নিউট্রাল।
ক্লাচ চেপে ধরুন।(অবশ্যই
বাম পা দিয়ে)। না বলা পর্যন্ত চেপে ধরে রাখুন।
দন্ডটিকে বামদিকে
ঠ্যালা দিন। (যদি যায়) তারপর ছেড়ে দিন। সেটা আবার আগের মধ্যাবস্থায় চলে আসবে। এবার
ডান দিকে টানুন এবং ছেড়ে দিন। মাঝখানে চলে আসবে। এভাবে যদি গিয়ারদন্ডটিকে শোয়ানো রেখা
বরাবর বামে ডানে সরানো যায় তবে বুঝতে হবে এটি নিউট্রালে আছে। নিউট্রাল ছাড়া অন্য কোনো
গিয়ারে থাকলে ডানে-বামে/বামে-ডানে সরানো যাবে না।
ক্লাচ ছেড়ে দিতে
পারেন।
গিয়ার পরিবর্তনের নিয়ম
ধরে নিচ্ছি, গিয়ার
নিউট্রালে আছে।
ক্লাচ চেপে ধরুন।
গিয়ারদন্ডটিকে
ঠেলে একদম বাম দিকে নিয়ে উপরের দিকে ঠ্যালা দিন। এটা ফার্স্ট গিয়ার। গিয়ার পরিবর্তনের
পর পর ক্লাচ ছেড়ে দিতে পারেন।
এবার আমরা ফার্স্ট
গিয়ার থেকে সেকেন্ড গিয়ারে যাব।
আবার ক্লাচ চেপে
ধরুন।
গিয়ারদন্ডটিকে
একটু বামদিকে ঠেলে রেখে একদম বরাবর নিচের দিকে নিয়ে আসুন। এটা সেকেন্ড গিয়ার।
ক্লাচ ছেড়ে দিন।
আবার ক্লাচ চেপে
ধরুন।
এবার যাব সেকেন্ড
গিয়ার থেকে থার্ড গিয়ারে।
গিয়ারদন্ড একটু
বামে ঠেলে রেখে উপরে 1-2 রেখার ঠিক মাঝখানে নিয়ে শোয়ানো রেখা বরাবর ডানে টেনে ঠিক মাঝখানে(3-4
রেখার মধ্যবিন্দুতে) এনে উপরের দিকে নিয়ে গেলে পাওয়া যাবে থার্ড গিয়ার।
থার্ড থেকে বরাবর
নিচে আসলে ফোরথ গিয়ার।
ফোরথ থেকে উপরে
উঠে ডানে গিয়ে উপরে গেলে ফিফথ গিয়ার।
মূল কথা হলো যেভাবে
গিয়ারদন্ডের মাথায় নকশা আঁকা আছে ঠিক সেভাবে রেখা বরাবর দন্ডটিকে নিয়ে গেলে কাংখিত
গিয়ার পাওয়া যাবে।
গাড়িকে যখন পেছন
দিকে নেয়ার প্রয়োজন পড়বে তথন R তথা Reverse Gear ব্যবহার করতে হবে।
আমরা এতক্ষণ গিয়ার
পরিবর্তনের কৌশল জানলাম। কেন এবং কখন গিয়ার পরিবর্তন করতে হয় সে বিষয়ে পরে জানবো।
গিয়ারের ঠিক পাশেই(সাধারণত)আরেকটি
দন্ড পাবেন। এই দন্ডটি অবশ্য খাড়া নয়, শোয়ানো। এটাকে বলে হ্যান্ড ব্রেইক বা পার্কিং
ব্রেইক। আমরা ডান পায়ে একটা ব্রেইক দেখেছিলাম। এটাও সে রকম একটা ব্রেইক। তবে সাধারণত
গাড়ি যখন পার্ক করে রাখা হয় তখন সেটাকে ধরে উপরে দিকে টেনে তুলে রাখা হয়। তখন গাড়ির
চাকাগুলো একদম লকট (Locked) থাকে। গাড়ি যাতে গড়িয়ে নিজে নিজে এদিক-সেদিক না যেতে পারে
সেজন্য এই ব্রেইকটি ব্যবহার করা হয়। গাড়ি ঢালু জায়গায় পার্ক করা হলে উপর থেকে নিচের
দিকে গড়িয়ে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। তাই এই ব্রেইক ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া ব্রেইকটি
লাগানো অবস্থায় থাকলে ধাক্কিয়ে গাড়িকে সামনে বা পেছনে নেয়া যাবে না। তাই সমতলে পার্কিং
করার সময়ও ব্রেইকটি লাগিয়ে (অন) রাখতে হবে। মোদ্দা কথা, পার্ক করার সময় অবশ্য অবশ্য
পার্কিং ব্রেইক অন রাখতে হবে।
দন্ডটির মাথায়
একটা নব/সুইচ দেখতে পাবেন। মুঠি দিয়ে ধরে বৃদ্ধাংগুল দিয়ে ঐ নবটিকে চেপে ধরে দন্ডটি
নিচে নামালে চাকাগুলো আনলকট(unlocked) হয়, মানে ব্রেইক অফ অবস্থায় থাকে। গাড়ি চালানোর
ঠিক পূর্ব মুহূর্তে পার্কিং ব্রেইককে অফ করতে হয়। যথাসময়ে পুরো বিষয়টি একসাথে বর্ণনা
করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
সহজে মনে রাখুন-
যখন ব্রেইকের
দন্ডটিকে উপরে দিকে টেনে তুলে রাখা হয় তখন ব্রেইক লাগানো বা অন অবস্থায় থাকে। মানে
চাকাগুলো Locked থাকে।
আর যদি চেপে নিচে
নামিয়ে রাখা হয় তখন ব্রেইক খোলা বা অফঅবস্থায় থাকে। মানে চাকাগুলো unlocked থাকে।
আর হঁ্যা, কোনো
কোনো গাড়িতে পার্কিং ব্রেইক পায়ের দিকেও থাকতে পারে।
এবার সামনের দিকে
নজর দিই।
আপনার সামনে যে
চাকা সদৃশ বস্তুটি দেখতে পাচ্ছেন সেটাকে বলে স্টিয়ারিং (steering)। স্টিয়ারিং ডানে
ঘোরালে গাড়ি ডানে যাবে, বামে ঘোরালে বামে। স্টিয়ারিংটি যে স্তম্ভের উপর বসানো তার গায়ে
কিছু সুইচ দেখতে পাবেন। সেগুলো সম্পর্কে আপাতত না জানলেও চলবে।
স্টিয়ারিং ঘোরানোর
ভিন্ন ভিন্ন নিয়ম রয়েছে। যেমন- push-pull steering, hand-over-hand steering।
আপাতত এগুলো জানার
প্রয়োজন নেই। তবে বলে রাখছি- push-pull steering অধিকতর নিরাপদ। গাড়ি চালানো শিখে যাওয়ার
পর ইউটিউব থেকে এসব শিখে নেবেন।
স্টিয়ারিংয়ের
সামনে গাড়ির গায়ে একটা বোর্ড দেখতে পাচ্ছেন। সেখানে বড় দু’টি এবং ছোট দু’টি এনালগ ঘড়ি
সদৃশ মিটার দেখতে পাচ্ছেন। এই বোর্ডটিকে বলে ড্যাশবোর্ড (dashboard)। বড় দু’টি মিটারের
একটাতে লেখা আছে rpm(rotation per minute) । গাড়ির ইঞ্জিন কত গতিতে ঘুরছে তা নির্দেশ
করে এই মিটার। অপর বড় মিটারে লেখা আছে mph। এটা নির্দেশ করে গাড়ি (মানে গাড়ির চাকা)
কত বেগে (Speed-এ) চলছে।ছোট দু’টি মিটার ইঞ্জিনের তাপমাত্রা ও জ্বালানীর পরিমাপ নির্দেশ
করে।
স্টিয়ারিং স্তম্ভের
গায়ে এক জায়গায় চাবি ঢোকানোর জায়গা দেখতে পাবেন। এটার ভেতরে চাবি ঢুকিয়ে ইঞ্জিন চালু
করা হয়। অবশ্য আপনার গাড়িতে অন্যরকম হতে পারে। ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করে চাবি ঢোকানোর
জায়গা চিনে নেবেন।
আলহামদুলিল্লাহ্!
এখন পর্যন্ত যতটুকু শিখেছেন গাড়ি চালানো শুরু করার জন্য এতটুকু যথেষ্ট।
Comments
Post a Comment